September 15, 2026, 5:54 pm
Title :
চট্টগ্রামে ৪০ হাজার পিস ইয়াবাসহ হানিফ পরিবহনের বাস জব্দ, আটক ২। কর্মদক্ষতার স্বীকৃতি: লালবাগ বিভাগের শ্রেষ্ঠ এসআই (নিরস্ত্র) সজিব আহমেদ। আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামের উদ্যোগে সদরঘাটে দুস্থ রোগীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ঔষধ বিতরণ। জিয়া মঞ্চ কোতোয়ালী থানার ৩১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন। ঢাকা সদরঘাট হকার্স মার্কেট জামে মসজিদের অজুখানা উদ্বোধন, সুমন ভূইয়াকে কাউন্সিলর করার ঘোষণা। কিশোর গ্যাং ও মাদকমুক্ত ঢাকা গড়তে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির বিশেষ সভা। ঢাকা সদরঘাটে নারী যাত্রীর মোবাইল ও টাকা ছিনতাই, জনতার হাতে আটক ছিনতাইকারী। মাজহারুলকে বহিষ্কার, চান্দিনা থানা প্রেসক্লাবের কমিটি বিলুপ্ত। রাজধানীর কোতোয়ালি থানাধীন ইসলামপুরের মুন কমপ্লেক্সের আন্ডারগ্রাউন্ড থেকে ৬ মাসের সাজাপ্রাপ্ত এক আসামিকে গ্রেপ্তার। ঢাকা কোতোয়ালী থানা সদরঘাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সজিব আহমেদের নেতৃত্বে অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার।

সন্ত্রাসীদের ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত সাংবাদিক গোলাম সাব্বির।

  • Update Time : Monday, April 20, 2026
  • 120 Time View

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

ঢাকার আশুলিয়ার কুরগাঁও এলাকায় সন্ত্রাসীদের ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হয়েছেন দৈনিক সমাচারের ঢাকা জেলা প্রতিনিধি গোলাম সাব্বির আহমেদ। পূর্বপরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।

জানা যায়, পেশাগত দায়িত্ব পালন শেষে রাত আনুমানিক ৯ টার দিকে বাসায় ফিরছিলেন তিনি। এসময় নিজ এলাকার পূর্বপরিচিত আলামিন হোসেন (ডিপজল)-এর সাথে পূর্বের আলোচিত কিছু বিষয় জানতে মুঠোফোনে তার সাথে যোগাযোগ করেন গোলাম সাব্বির। এসময় আলামিন বাসার নিকটস্থ “রফিকের টেক” মাঠে আসতে বলে তাকে। সেখানে আলামিনসহ একই এলাকার রানা, আকাশ ও রাসেল উপস্থিত ছিলো।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, প্রথমে স্বাভাবিক কথোপকথনের একপর্যায়ে হঠাৎ সোহাগ সেখানে হাজির হয়। তারপর অতর্কিতে কোমর থেকে ছুরি বের করে গোলাম সাব্বিরের মাথায় কয়েকটি আঘাত করে। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে যান মাটিতে। এসময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত রানা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করলে জাহাঙ্গীর ও সোহাগের ছোট ভাই সজিব এসে যুক্ত হয় ও তাকে বাধা দিয়ে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে পুনরায় এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করে।

প্রাণ বাঁচাতে দৌড়ে পাশের একটি দোকানে আশ্রয় নিলে সেখানেও হামলাকারীরা তাকে মারধর করে গুরুতর জখম করে। পরে তার চিৎকারে স্থানীয় লোকজন জড়ো হলে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয় রিকশাওয়ালা ও তার মায়ের সহযোগিতায় পল্লী বিদ্যুৎ-এ অবস্থিত হাবিব ক্লিনিকে ভর্তি করা হয় তাকে। অবস্থা গুরুতর হওয়ায় সেখানের কর্তব্যরত চিকিৎসক দ্রুত সিটি স্ক্যানের পরামর্শ দেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মেমোরিয়াল স্পেশালাইজড হাসপাতাল-এ স্থানান্তর করা হয় তাকে।

কিছুটা সুস্থ হলে এ ঘটনায় আশুলিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন আহত সাংবাদিক।

এ বিষয়ে সাংবাদিক গোলাম সাব্বির আহমেদ বলেন, পূর্বপরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে এই হামলা চালানো হয়েছে। এর আগে সোহাগের ছোট ভাই সজিব মাদ্রাসার দুজন শীক্ষার্থীকে জোরপূর্বক ছিনতাইকালে পুলিশে খবর দেওয়ায় প্রাণনাশের হুমকি দেয় তাকে। এ বিষয়ে আশুলিয়া থানায় অভিযোগ ও সংবাদ প্রকাশের জের ধরে এই হামলা হয়েছে বলে ধারনা করেন। এছাড়া, আশুলিয়া থানায় তার পূর্বের দায়েরকৃত মামলার সাথেও এ-ই হামলার সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, হামলাকারী সোহাগ, জাহাঙ্গীর ও সজিব সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী চক্রের সক্রিয় সদস্য এবং মাদক ব্যবসার সাথেও জড়িত। তাদের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় একাধিক ছিনতাই ও মাদক মামলা রয়েছে। কয়েকমাস আগে ঢাকা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের এক অভিযানে সজিবসহ এই চক্রের বেশ কয়েকজন ছিনতাইকারীকে আটক করে আশুলিয়া থানায় সোপর্দ করে। এরপর সেখান থেকে প্রেরন করা হয় কারাগারে। পরবর্তীতে জামিনে বের হয় তারা।

সাংবাদিকের ওপরে প্রকাশ্যে সংঘটিত এ-ই হামলার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। দুর্ধর্ষ এই হামলাকারীদের গ্রেপ্তার করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

এই বিষয়ে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রুবেল হাওলাদার বলেন আমরা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি বিষটি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

প্রিন্ট এর তারিখ: || প্রকাশের তারিখ: April 20, 2026, 1:45 pm

সন্ত্রাসীদের ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত সাংবাদিক গোলাম সাব্বির।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

ঢাকার আশুলিয়ার কুরগাঁও এলাকায় সন্ত্রাসীদের ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হয়েছেন দৈনিক সমাচারের ঢাকা জেলা প্রতিনিধি গোলাম সাব্বির আহমেদ। পূর্বপরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।

জানা যায়, পেশাগত দায়িত্ব পালন শেষে রাত আনুমানিক ৯ টার দিকে বাসায় ফিরছিলেন তিনি। এসময় নিজ এলাকার পূর্বপরিচিত আলামিন হোসেন (ডিপজল)-এর সাথে পূর্বের আলোচিত কিছু বিষয় জানতে মুঠোফোনে তার সাথে যোগাযোগ করেন গোলাম সাব্বির। এসময় আলামিন বাসার নিকটস্থ “রফিকের টেক” মাঠে আসতে বলে তাকে। সেখানে আলামিনসহ একই এলাকার রানা, আকাশ ও রাসেল উপস্থিত ছিলো।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, প্রথমে স্বাভাবিক কথোপকথনের একপর্যায়ে হঠাৎ সোহাগ সেখানে হাজির হয়। তারপর অতর্কিতে কোমর থেকে ছুরি বের করে গোলাম সাব্বিরের মাথায় কয়েকটি আঘাত করে। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে যান মাটিতে। এসময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত রানা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করলে জাহাঙ্গীর ও সোহাগের ছোট ভাই সজিব এসে যুক্ত হয় ও তাকে বাধা দিয়ে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে পুনরায় এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করে।

প্রাণ বাঁচাতে দৌড়ে পাশের একটি দোকানে আশ্রয় নিলে সেখানেও হামলাকারীরা তাকে মারধর করে গুরুতর জখম করে। পরে তার চিৎকারে স্থানীয় লোকজন জড়ো হলে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয় রিকশাওয়ালা ও তার মায়ের সহযোগিতায় পল্লী বিদ্যুৎ-এ অবস্থিত হাবিব ক্লিনিকে ভর্তি করা হয় তাকে। অবস্থা গুরুতর হওয়ায় সেখানের কর্তব্যরত চিকিৎসক দ্রুত সিটি স্ক্যানের পরামর্শ দেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মেমোরিয়াল স্পেশালাইজড হাসপাতাল-এ স্থানান্তর করা হয় তাকে।

কিছুটা সুস্থ হলে এ ঘটনায় আশুলিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন আহত সাংবাদিক।

এ বিষয়ে সাংবাদিক গোলাম সাব্বির আহমেদ বলেন, পূর্বপরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে এই হামলা চালানো হয়েছে। এর আগে সোহাগের ছোট ভাই সজিব মাদ্রাসার দুজন শীক্ষার্থীকে জোরপূর্বক ছিনতাইকালে পুলিশে খবর দেওয়ায় প্রাণনাশের হুমকি দেয় তাকে। এ বিষয়ে আশুলিয়া থানায় অভিযোগ ও সংবাদ প্রকাশের জের ধরে এই হামলা হয়েছে বলে ধারনা করেন। এছাড়া, আশুলিয়া থানায় তার পূর্বের দায়েরকৃত মামলার সাথেও এ-ই হামলার সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, হামলাকারী সোহাগ, জাহাঙ্গীর ও সজিব সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী চক্রের সক্রিয় সদস্য এবং মাদক ব্যবসার সাথেও জড়িত। তাদের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় একাধিক ছিনতাই ও মাদক মামলা রয়েছে। কয়েকমাস আগে ঢাকা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের এক অভিযানে সজিবসহ এই চক্রের বেশ কয়েকজন ছিনতাইকারীকে আটক করে আশুলিয়া থানায় সোপর্দ করে। এরপর সেখান থেকে প্রেরন করা হয় কারাগারে। পরবর্তীতে জামিনে বের হয় তারা।

সাংবাদিকের ওপরে প্রকাশ্যে সংঘটিত এ-ই হামলার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। দুর্ধর্ষ এই হামলাকারীদের গ্রেপ্তার করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

এই বিষয়ে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রুবেল হাওলাদার বলেন আমরা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি বিষটি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
© All rights reserved © 2026 Howladertv
অফিস: ৩৭/১ বাহাদুরপুর লেন, শ্যামপুর, ঢাকা-১২০৪ || মোবাইল: 01915703099 || Email: monirulhowlader@gmail.com

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category