বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ০১:৫৬ পূর্বাহ্ন
Title :
সদরঘাটে ঈদযাত্রা নিরাপদ করতে টার্মিনাল পরিদর্শনে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী। এম. আর. এগ্রো এন্ড ডেইরি ফার্মের গরু এখন কমলাপুর হাটে। সন্তানকে নির্যাতনের অভিযোগে মা কারাগারে, দাদা-দাদির জিম্মায় শিশু। হিজলার কুখ্যাত মাদক কারবারি জনি ৭৫ পিস ইয়াবাসহ কাজিরহাটে গ্রেফতার। রোগীর মৃত্যু: হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের পরিচালকসহ ১১ জনের নামে মামলার আবেদন। ঈদ উপলক্ষে সদরঘাটে নৌকা-ট্রলার শ্রমিকদের সঙ্গে নৌ পুলিশের বিশেষ আলোচনা সভা। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৩৭ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর হিসাবে সুমন ভুঁইয়াকে দেখতে চায় এলাকাবাসী ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদলের কমিটি গঠন উপলক্ষে শুভেচ্ছা বিনিময়। চুরি মামলা তুলে না নেয়ায় সাংবাদিককে কুপিয়ে জখম-আঙুল বিচ্ছিন্ন। ওয়ারিশ সনদে নাম থাকলেও পৈত্রিক সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত।

পিপল্স পাওয়ার পার্টি (পিপিপি) কর্তৃক জাতীয় প্রেসক্লাব, শনিবার সকাল ১০:ঘটিকায়, আলোচনা সভায়

  • আপডেট সংবাদ দেখুন শনিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ২০৭ দেখা হয়েছে

পিপল্স পাওয়ার পার্টি (পিপিপি) কর্তৃক,শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাব,সকাল ১০:ঘটিকায়, আলোচনা সভা’

দেশের অখন্ডতা ও জাতীয় সংহতি সুরক্ষায় ঐক্যের রাজনীতির ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও জনসংযোগ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন দলের আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার এস. ফাহিম এবং বক্তব্য রাখেন সর্বজনাব ইমরান হোসেন খান, ডাঃ হারুন অর রশিদ, মেহেদী আনোয়ার পাটোয়ারী, জাবেদ আলী, মাসুদুল ইসলাম মাসুদ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন যে, এদেশে প্রতিষ্ঠান আকারে কোন রাজনৈতিক দল গড়ে উঠে নাই। পরিবারতন্ত্র অথবা ব্যক্তি ও তাদের কোটারী নিয়ন্ত্রিত অসংখ্য দল দেশের রাজনৈতিক পরিমন্ডলে এক ভঙ্গুর রাজনৈতিক অঙ্গন সৃষ্টি করেছে। যেখানে না আছে দলের অভ্যন্তরে গণতান্ত্রিক চর্চা, না আছে মেধা ও বুদ্ধিবৃত্তিক রাজনীতির সংস্কৃতি বরং সমাজের সমষ্টিকে বঞ্চিত করে ব্যক্তিকেন্দ্রিক লাভালাভের দূর্বৃত্তায়নের ঘেরাটোপ সৃষ্টি করা হয়েছে। তাই গণমুখী রাজনৈতিক দলের প্রতিষ্ঠান গড়ার লক্ষ্য নিয়ে এই দল অগ্রসর হচ্ছে। ২০২৪ এর জুলাই বিপ্লবের সুফল জনগনের দোর-গোড়ায় পৌঁছে দেয়ার জন্য এই মুহুর্তে আগামী ২০২৬ এর মধ্য ফেব্রুয়ারীতে নির্ধারিত গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মর্মে বক্তাগন মত প্রকাশ করেন। দেশী-বিদেশী সকল অপশক্তির আগ্রাসন প্রতিহত করে নির্বাচনের লক্ষ্য অর্জনের জন্য জুলাই বিপ্লবের সকল পক্ষ-শক্তির ঐক্য অপরিহার্য। আর এই ঐক্য সৃষ্টির সূত্রপাত হিসেবে দেশের এই ক্রান্তিকালের প্রতীকী কান্ডারী রাষ্ট্রনায়কদের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি জনমনে ঐক্যের বাতাবরণ ও অনিশ্চয়তার স্থলে স্থিতিশীলতার স্বস্তি আনয়ন করবে। এই প্রেক্ষিতে দলের পক্ষ থেকে প্রস্তাব করা হয় যে, সকল রাজনৈতিক দল মিলিতভাবে, সাবেক তিন বারের প্রধানমন্ত্রী,বেগম খালেদা জিয়াকে ‘জাতির আপোষহীণ অভিভাবক’ হিসেবে আজীবনের সম্মাননা ঘোষনা করুক। আগামী ফেব্রুয়ারী মাসে নির্ধারিত গণভোট ও সাধারণ নির্বাচন সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়ে বিজয়ী দলের কাছে শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তর সফল হলে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস- কে ‘জাতির প্রাজ্ঞ অভিভাবক’ এর আজীবন সম্মাননা ঘোষনায় বিপ্লবের পক্ষ শক্তি রাজনৈতিক দলগুলির পক্ষ থেকে অঙ্গীকার প্রদান করা হোক।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ দেখুন