মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ১১:০৫ অপরাহ্ন
Title :
সদরঘাটে ঈদযাত্রা নিরাপদ করতে টার্মিনাল পরিদর্শনে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী। এম. আর. এগ্রো এন্ড ডেইরি ফার্মের গরু এখন কমলাপুর হাটে। সন্তানকে নির্যাতনের অভিযোগে মা কারাগারে, দাদা-দাদির জিম্মায় শিশু। হিজলার কুখ্যাত মাদক কারবারি জনি ৭৫ পিস ইয়াবাসহ কাজিরহাটে গ্রেফতার। রোগীর মৃত্যু: হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের পরিচালকসহ ১১ জনের নামে মামলার আবেদন। ঈদ উপলক্ষে সদরঘাটে নৌকা-ট্রলার শ্রমিকদের সঙ্গে নৌ পুলিশের বিশেষ আলোচনা সভা। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৩৭ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর হিসাবে সুমন ভুঁইয়াকে দেখতে চায় এলাকাবাসী ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদলের কমিটি গঠন উপলক্ষে শুভেচ্ছা বিনিময়। চুরি মামলা তুলে না নেয়ায় সাংবাদিককে কুপিয়ে জখম-আঙুল বিচ্ছিন্ন। ওয়ারিশ সনদে নাম থাকলেও পৈত্রিক সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত।

ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ,গাজীপুর মৌচাক পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত এসআই ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে,

  • আপডেট সংবাদ দেখুন মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ২৭৮ দেখা হয়েছে

অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ: এসআই ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে,গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর থানার অন্তর্গত মৌচাক পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত এসআই ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে গুরুতর অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী সুরভী তার পরিবারকে জানিয়েছেন যে, উক্ত পুলিশ সদস্য তার কাছে অনৈতিকভাবে টাকা দাবি করেন। সেই দাবিতে সায় না দেওয়ায় কোনো প্রকার সুনির্দিষ্ট তদন্ত ছাড়াই সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন একটি মামলায় তাকে জড়িয়ে রিমান্ডের আবেদন করেছেন ওই কর্মকর্তা।

অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য ওমর ফারুকের (বিপি নম্বর: ৮৪১৩১৫২৬৩৮, ফোন: ০১৭১১-৭০৭৭০৮) বিরুদ্ধে ওঠা এই অভিযোগগুলো আইনের শাসন ও ন্যায়বিচারের পরিপন্থী।

জনমনে প্রশ্ন উঠেছে:

১. এই কর্মকর্তা কবে চাকরিতে যোগদান করেছেন এবং তার পেশাগত অতীত কী?

২. বিগত জুলাই বিপ্লব বা জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান চলাকালীন ছাত্র-জনতার ওপর দমন-পীড়নে তার ভূমিকা কী ছিল?

৩. বিশেষ কোনো রাজনৈতিক মদদে তিনি সাধারণ মানুষকে এভাবে হয়রানি করছেন কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

একটি স্বাধীন ও বৈষম্যমুক্ত দেশে পুলিশের এমন অপেশাদার আচরণ এবং প্রতিহিংসামূলক কর্মকাণ্ড মেনে নেওয়া যায় না। আমরা যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানাচ্ছি যে, এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোর পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করা হোক এবং সত্যতা প্রমাণিত হলে তাকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনা হোক। আইনের রক্ষক যখন ভক্ষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়, তখন সামাজিক শান্তি বিঘ্নিত হয়। ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এখন সময়ের দাবি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ দেখুন