বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ০৪:১১ পূর্বাহ্ন
Title :
সদরঘাটে ঈদযাত্রা নিরাপদ করতে টার্মিনাল পরিদর্শনে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী। এম. আর. এগ্রো এন্ড ডেইরি ফার্মের গরু এখন কমলাপুর হাটে। সন্তানকে নির্যাতনের অভিযোগে মা কারাগারে, দাদা-দাদির জিম্মায় শিশু। হিজলার কুখ্যাত মাদক কারবারি জনি ৭৫ পিস ইয়াবাসহ কাজিরহাটে গ্রেফতার। রোগীর মৃত্যু: হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের পরিচালকসহ ১১ জনের নামে মামলার আবেদন। ঈদ উপলক্ষে সদরঘাটে নৌকা-ট্রলার শ্রমিকদের সঙ্গে নৌ পুলিশের বিশেষ আলোচনা সভা। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৩৭ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর হিসাবে সুমন ভুঁইয়াকে দেখতে চায় এলাকাবাসী ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদলের কমিটি গঠন উপলক্ষে শুভেচ্ছা বিনিময়। চুরি মামলা তুলে না নেয়ায় সাংবাদিককে কুপিয়ে জখম-আঙুল বিচ্ছিন্ন। ওয়ারিশ সনদে নাম থাকলেও পৈত্রিক সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত।

ইমামদের এই সমাজের দায়িত্ব নিতে হবে: জামায়াত আমির

  • আপডেট সংবাদ দেখুন সোমবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১৩৯ দেখা হয়েছে

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমাদের ইমাম এবং খতিবরা কারও করুণার পাত্র হবেন- এটা আমরা দেখতে চাই না। খতিব-ইমামদের আসল মর্যাদা তাদের হাতে তুলে দিতে হবে। মসজিদের ইমাম ও খতিবদের এই সমাজের দায়িত্ব নিতে হবে। গতকাল রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘সম্মিলিত ইমাম-খতিব জাতীয় সম্মেলনে’ তিনি এসব কথা বলেন।

বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র ইমাম মাওলান মুহিব্বুল্লাহিল বাকি আন নদভীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম পীর চরমোনাই, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সভাপতি মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, জমিয়তে উলামায়ের মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী প্রমুখ।

সঞ্চালনা করেন মুফতি আজহারুল ইসলাম ও মুফতি শরিফুল্লাহ। সম্মেলনে দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা, মুসলিম জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় অধিকার সংরক্ষণ, ইমাম-খতিবদের সামাজিক নিরাপত্তা, সম্মানজনক ভাতা এবং মসজিদ পরিচালনার আধুনিক নীতিমালা প্রণয়নসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে একটি রোডম্যাপ উপস্থাপিত হয়।

জামায়াত আমির বলেন, রসুলে করিম (সা.) মহান রব্বুল আলামিনের পক্ষ থেকে দায়িত্ব পেয়েই মসজিদ গড়েছিলেন এবং মসজিদকে আল্লাহ তায়ালার পছন্দ অনুযায়ী মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। তখন আলাদা কোনো ক্যাবিনেট হাউস ছিল না এবং আলাদা কোনো রাষ্ট্রপতি অথবা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ছিল না। সমস্ত আঞ্জাম দেওয়া হতো মসজিদে নববী থেকে। বিভিন্ন ধর্মের, মতের মানুষ, সারা বিশ্ব থেকে প্রতিনিধি নিয়ে তাঁর কাছে এসেছেন। তিনি তাঁদের সবার সঙ্গে মিলিত হয়েছেন মসজিদে নববীতে। নবীজির এই সমাজকে বাদ দিয়ে মনগড়া কোনো মতবাদ তন্ত্রমন্ত্র দিয়ে যে সমাজ গড়া হবে, সেই সমাজ- আল্লাহর কসম! দুনিয়াকে শান্তি এবং সম্মান দুটোর কোনোটাই দিতে পারবে না।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ দেখুন