রাজনৈতিক বক্তব্য,সময়ের তরুণ প্রজন্ম শুধু আগামী দিনের নাগরিক নয়—তারা আজকের দিনেরও চালিকাশক্তি। তাই তাদের রাজনীতি হওয়া উচিত আদর্শভিত্তিক, মানবিক ও দায়িত্বশীল। ক্ষমতার লড়াই নয়, তরুণদের রাজনীতি হওয়া উচিত মানুষের অধিকার, ন্যায়বিচার ও দেশ গঠনের সংগ্রাম।
তরুণ রাজনীতি মানে হবে অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাহসী প্রতিবাদ, কিন্তু সেই প্রতিবাদ হবে শালীনতা ও যুক্তির মাধ্যমে। সহিংসতা, দখলদারিত্ব কিংবা ব্যক্তিগত স্বার্থের রাজনীতি তরুণদের মানায় না। তাদের রাজনীতি হবে জ্ঞাননির্ভর, যেখানে থাকবে ইতিহাসের চেতনা, সংবিধানের প্রতি শ্রদ্ধা এবং দেশের প্রতি গভীর ভালোবাসা।
বর্তমান তরুণরা প্রযুক্তিতে দক্ষ, বিশ্ব সম্পর্কে সচেতন। সেই শক্তিকে কাজে লাগিয়ে রাজনীতিকে হতে হবে আধুনিক ও স্বচ্ছ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার হবে গুজব ছড়াতে নয়, বরং সত্য তুলে ধরতে, জনসচেতনতা বাড়াতে এবং ইতিবাচক পরিবর্তনের ডাক দিতে।
তরুণ রাজনীতিতে নেতৃত্ব মানে হবে সেবক হওয়া। মানুষের দুঃখ-কষ্টে পাশে দাঁড়ানো, দুর্নীতির বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থান নেওয়া এবং সকল শ্রেণির মানুষের কথা শোনা—এটাই হবে প্রকৃত নেতৃত্বের পরিচয়। ধর্ম, বর্ণ, দল বা মতের ঊর্ধ্বে উঠে দেশ ও মানুষের কল্যাণকে প্রাধান্য দিতে পারলেই তরুণ রাজনীতি সফল হবে।
সবচেয়ে বড় কথা, তরুণদের রাজনীতি হবে স্বপ্ন দেখার রাজনীতি—একটি ন্যায়ভিত্তিক, বৈষম্যহীন ও উন্নত বাংলাদেশের স্বপ্ন। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে চাই সততা, ধৈর্য ও নিরবচ্ছিন্ন পরিশ্রম। আজকের তরুণরা যদি সঠিক পথে রাজনীতিকে বেছে নেয়, তবে আগামীর বাংলাদেশ হবে আরও শক্তিশালী, মানবিক ও মর্যাদাশীল।
সাহেল আহমেদ সোহেল,রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব | ঢাকা–৪
জনগণের রাজনীতি, তরুণদের শক্তিতে বিশ্বাসী
এই বক্তব্য তরুণ সমাজ, সাংবাদিক ও সচেতন নাগরিকদের উদ্দেশ্যে—যাতে রাজনীতি হয় মানুষের জন্য, দেশের জন্য,